নরসিংদী শহর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে নরসিংদী হানাদার মুক্ত দিবস পালিত হয়েছে। শনিবার বিকালে নরসিংদী আওয়ামী লীগ অফিসে শহর আওয়ামী লীগ সভাপতি পৌর মেয়র আলহাজ্ব কামরুজ্জামান কামরুলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন বাচ্চুর পরিচালনায় নরসিংদী হানাদার মুক্ত দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- নরসিংদী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন ভুইয়া।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- নরসিংদী জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিএম তালেব হোসেন ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক পীরজাদা মোহাম্মদ আলী, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন, নরসিংদী জেলা আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান হাবিব, নরসিংদী জেলা আওয়ামী যুবলীগ সভাপতি বিজয় কৃষ্ণ গোস্বামী ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান শামীম নেওয়াজ, নরসিংদী জেলা আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব ইকরামুল ইসলাম, নরসিংদী জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব সামসুল ইসলাম মোল্লা, নরসিংদী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি দিপু মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক রঞ্জন সাহা, জেলা শ্রমিকলীগের আহ্বায়ক আব্দুল কালাম আজাদ ও সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম ভুইয়া, নরসিংদী শহর শ্রমিকলীগ সভাপতি নুর মো. খন্দকার পারভেজ ও সাধারণ সম্পাদক শেখ তারিকুল ইসলাম, নরসিংদী জেলা মহিলা লীগ সভাপতি সুমি সরকার (ফাতেমা) ও সাধারণ সম্পাদক ইয়াসমিন সুলতানা, যুগ্ম সম্পাদক বিলকিস বেগম, জেলা মহিলালীগ নেত্রী ফারহানা সরকার সোমা, নরসিংদী জেলা যুবলীগের অন্যতম নেতা জহিরুল ইসলাম জহির, নরসিংদী শহর যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জি: সোহেল ভূঁইয়া।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন- নরসিংদী জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি হাসিবুল হাসান মিন্টু ও সাবেক সভাপতি ইসহাক খলিল বাবু, সদর থানা ছাত্রলীগ সভাপতি সারোয়ার হোসেন ফয়সাল ও সাধারণ সম্পাদক শেখ শামীম, নরসিংদী সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি শিব্বির আহমেদ শিবলী ও সাধারণ সম্পাদক রাব্বীর হোসেন অতুল, নরসিংদী শহর ছাত্রলীগ সভাপতি রাজীব সরকার ও সাধারণ সম্পাদক কাউসার আহমেদ, নরসিংদী সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ সাধারণ সম্পাদক শেখ রাসেল মাহমুদ, নরসিংদী শহর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি পারভেজ ভূঁইয়া ও সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেনসহ সকল সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আজ ১২ ডিসেম্বর নরসিংদী মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকবাহিনীর পরাজয় ও আত্মসমর্পনের মধ্য দিয়ে সমগ্র নরসিংদী পাক হানাদার মুক্ত হয়েছিল। মুক্তিযোদ্ধের ইতিহাসে এ দিনটি নরসিংদীবাসীর কাছে অত্যন্ত গৌরবোজ্জল ও স্মরণীয় দিন।
স্বাধীনতার ৪৯ বছর পার হলেও আজো অরক্ষিত জেলার বধ্যভূমিগুলো। ৭১’ সালে দীর্ঘ ৯ মাস নরসিংদী জেলার বিভিন্ন স্থানে শতাধিক খন্ড যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে। ওই খন্ড যুদ্ধে পাকহানাদার বাহিনীর নির্মমতার শিকার হয়ে শহীদ হয়েছেন জেলার ১১৬ জন বীর সন্তান। এর মধ্যে নরসিংদী সদরের ২৭, মনোহরদীর ১২, পলাশে ১১, শিবপুরের ১৩, রায়পুরায় ৩৭ ও বেলাব উপজেলার ১৬ জন। এ ছাড়া বহু মা-বোনের নিরব আত্মত্যাগের বিনিময়ে নরসিংদী হানাদার মুক্ত হয়।