ঢাকা, সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গাড়িচালক মালেকের মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার কাজ শুরু

ads

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গাড়িচালক আবদুল মালেক ওরফে বাদলের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে করা মামলায় অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে আলোচিত এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারকাজ শুরু হলো। বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালত আসামির অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে এ আদেশ দেন। একই সময় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আদালত আগামী ৪ এপ্রিল থেকে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত দিন ধার্য করেন।


এর আগে চলতি বছেরর ১১ জানুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও র‍্যাব-১ এর উপপরিদর্শক মেহেদী হাসান চৌধুরী ১৩ জনকে সাক্ষী করে আসামি মালেকের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, রাজধানীর তুরাগে গাড়িচালক আবদুল মালেকের রয়েছে ২৪টি ফ্ল্যাটবিশিষ্ট সাততলার দুটি বিলাসবহুল বাড়ি। একই এলাকায় রয়েছে ১২ কাঠার প্লট। এছাড়া, হাতিরপুলে ১০ তলা ভবনের নির্মাণকাজ চলছে।


এতে আরও বলা হয়, অধিদপ্তরের কর্মচারী হলেও মালেক ছিলেন প্রভাবশালী। তিনি অধিদপ্তরের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির নিয়োগ, বদলি নিয়ন্ত্রণ করতেন। তার কথামতো কর্মকর্তারা কাজ না করায় তাদের নানাভাবে হয়রানি বা শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।


এজাহারে উল্লেখ করা হয়, মালেক একজন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী হলেও নিজে ব্যবহার করতেন পাজেরো গাড়ি। এছাড়া, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের যেসব চালক আছেন, তাদের তেল চুরির টাকার বেশিরভাগই মালেকের পকেটে যেত। এভাবে রাতারাতি বিপুল পরিমাণ টাকার মালিক বনে যান তিনি। এসব টাকা দিয়ে মালেক ঢাকা শহরে একাধিক আলিশান বাড়ি, ফ্ল্যাট ছাড়াও ব্যাংকে বিপুল পরিমাণ টাকা রেখেছেন।


উল্লেখ্য, গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর ভোরে রাজধানীর তুরাগ এলাকা থেকে গাড়িচালক আবদুল মালেক ওরফে ড্রাইভার মালেককে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-১। এ সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, পাঁচ রাউন্ড গুলি, দেড় লাখ বাংলাদেশি জাল নোট, একটি ল্যাপটপ ও মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনায় র‌্যাব-১ এর পুলিশ পরিদর্শক আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে মামলা দুটি দায়ের করেন।

ads
ads
ads

Our Facebook Page