ঢাকা, সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

পটুয়াখালী জেলাকে তথ্য কমপ্লেক্স নির্মান প্রকল্পে অন্তর্ভুক্তির প্রয়োজন

ads
বিপুল সম্ভাবনাময় প্রাচীনতম পটুয়াখালী জেলাকে তথ্য কমপ্লেক্স নির্মান প্রকল্পে অন্তর্ভুক্তির দাবী করেছেন সরকার প্রতিষ্ঠান কমিটির সভাপতি ও জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি পটুয়াখালী—০২ (বাউফল) আসনে ছয় ছয় বার নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য আ.স.ম ফিরোজ এমপি।


গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের সচিব বরাবরে সরকার প্রতিষ্ঠান কমিটির সভাপতি আ.স.ম ফিরোজ এমপি চলতি মাসের ০৩.০৩.২০২১ইং তারিখ, স্মারক নং—সভাপতি/স.প্র.ক/২৭৮/২০২১ প্রেরিত পত্রে উল্লেখ করেছেন, মুজিববর্ষ ২০৪১ লক্ষ্যকে সামনে রেখে সরকার গণসংযোগ কার্যক্রম ডিজিটালাইজড  করে জেলা তথ্য অফিস সমূহ আধুনিকায়ন ও কার্যক্রম সম্প্রসারনের লক্ষ্যে তথ্য অফিস সমূহের  অবকাঠামোগত উন্নয়নে তথ্য কমপ্লেক্স নির্মান করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার এ রকম সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত এবং প্রকল্প অনুমোদন দেওয়ায় তারঁ প্রতি বিন¤্র শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা। তিনি মনে করেন ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে  তথ্য কমপ্লেক্স জেলা তথ্য সমূহের কার্যক্রমগুলো আরও গতিশীল ও সম্প্রসারন ঘটবে।  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নির্ভর তথ্য সেবা জনগণকে প্রদানের লক্ষ্যে তথ্য কমপ্লেক্স হবে অপরিহার্য মাধ্যম। সরকারের নীতি ও কার্যক্রম বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সচেতন, উদ্বুদ্ধ ও উন্নয়নের ধারায় সম্পৃক্তকরনে জেলা তথ্য অফিস সমূহ অসামন্য অবদান রেখে চলছে। জেলা তথ্য অফিস সমূহ মাঠ পর্যায়ে গণযোগাযোগ ও আন্তঃযোগাযোগের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যন্ত সরকারের উন্নয়ন মূলক বার্তা এবং জরুরী বিষয়গুলো জণগনের কাছে পৌছে দেওয়ার একমাত্র মুখপাত্র হিসেবে কাজ করে। তাই তথ্য কমপ্লেক্স নির্মানের মাধ্যমে সরকারের প্রচার কৌশলসমূহ আরও অধিকতর কার্যকারী ও সমৃদ্ধ হবে। আ.স.ম ফিরোজ এমপি মনে করেন তথ্য ও যোগাযোগ নির্ভর তথ্য কমপ্লেক্স নির্মান হলে জেলা তথ্য অফিস সরকারের যোগাযোগ সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। সর্বস্তরের জণগনের নিকট মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতীয় ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রসার ঘটানোর মাধ্যমে জ্ঞান ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা হবে। উন্নয়ন কার্যক্রমে জণগনের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহন নিশ্চিত হবে এবং তথ্য কমপ্লেক্স একটি পরামর্শ ও উন্নয়ন কেন্দ্র হিসাবে পরিচিতি হবে। 
পটুয়াখালী জেলা প্রাচীন জেলাগুলোর মধ্যে ১৯তম জেলা পটুয়াখালী এবং ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১২ সালে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা চর এলাকা রাঙ্গাবালী উপজেলা সৃষ্টির মাধ্যমে পটুয়াখালী জেলাকে  খ’ শ্রেনী থেকে ক’ শ্রেনীতে উন্নীত করেন। ভৌগলিক অবস্থানের কারনে পটুয়াখালী জেলা বাংলাদেশের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ন জেলা।  পটুয়াখালী জেলা সরকারের উন্নয়নের একটি বিশেষ কেন্দ্র (হাব) হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এখানে সরকারের বেশ কিছু মেগা প্রকল্প (পায়রা বন্দর, পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, শেখ হাসিনা ক্যান্টনমেন্ট, লেবুখালী ব্রিজ, ইপিজেড) ইত্যাদি চলমান। এ জন্য পটুয়াখালীবাসী প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার প্রতি চিরকৃতজ্ঞ। 


সাগর কন্যা কুয়াকাটায় রয়েছে একটি মনোরম সী বীচ, এটিকে আধুনিকায়নের জন্য ইতিমধ্যে প্রকল্প গ্রহন করা হয়েছে। সুতারাং তথ্য কমপ্লেক্স নির্মানে পটুয়াখালী জেলাকে অন্তর্ভূক্ত করা হলে পটুয়াখালী জেলা উন্নয়নে আরও পরিপূর্নতা আসবে এবং পটুয়াখালীবাসী তথ্য কমপ্লেক্সের প্রত্যক্ষ সুবিধাভোগী হবে। তাই তথ্য কমপ্লেক্স নির্মান প্রকল্পে অন্তর্ভূক্ত করার একান্ত প্রয়োজন মনে করে প্রাচীনতম পটুয়াখালী জেলাকে তথ্য কমপ্লেক্স নির্মান প্রকল্পে অন্তর্ভুক্তি করার জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের সচিব মহোদয়ের কাছে বিশেষভাবে অনুরোধ করেছেন সরকার প্রতিষ্ঠান কমিটির সভাপতি ও জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি পটুয়াখালী—০২ (বাউফল) আসনে ছয় ছয় বার নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য আ.স.ম ফিরোজ এমপি।
ads
ads
ads

Our Facebook Page