ঢাকা, সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

প্রতিবাদী সত্তার জাগরণ ঢাবির সবচেয়ে বড় অর্জন : স্পিকার

ads
পাকিস্তানের শোষণ, নির্যাতন, নিপীড়ন ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী সত্তার জাগরণই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সবচেয়ে বড় অর্জন বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই ও জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমীন চৌধুরী।

ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালমনাই অ্যাসোসিয়েশনের বছরব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনস্থ অ্যালামনাই ফ্লোরে ‘স্বাধিকার আন্দোলন ও মুক্তি-সংগ্রামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ শিরোনামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব কথা বলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমীন চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানের শোষণ, নির্যাতন, নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিবাদী হয়ে উঠেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। আর এরই ধারাবাহিকতায় তারা এনে দিয়েছিলেন মাতৃভাষা থেকে শুরু করে একটি স্বাধীন দেশ। আর এটাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড় অর্জন। বর্তমানে যেকোনো সংগ্রাম, সঙ্কটে এই সাহস ধারণ করেই আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে চলতে হবে।’

স্পিকার আরো বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একশত বছরের ইতিহাস শুধু গৌরবোজ্জ্বলই নয় বরং ব্যতিক্রমধর্মী একটি ইতিহাস। ১৯৪৭ সালে ভারত পাকিস্তান বিভক্তি পরবর্তী ২৪ বছর ছিলো আন্দোলন সংগ্রামের ইতিহাস। আর তার প্রত্যেকটির পরতে পরতে জড়িয়ে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯৪৮, ১৯৫২, ছয় দফা, ১১দফাসহ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার প্রায় সবগুলোর আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এন্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক ড. খোন্দকার মোকাদ্দেম হোসেন। সভাপতিত্ব করেন ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ. কে. আজাদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী। সেমিনারের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান। প্রবন্ধের বিষয়বস্তুর নিয়ে আলোচনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শতবর্ষ উদ্যাপন কমিটির চেয়ারম্যান সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী।


















সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল
ads
ads
ads

Our Facebook Page