রাজধানী ঢাকার মিরপুর জুড়ে রয়েছে বেশ কিছু আইসক্রীম ফ্যাক্টরী। ব্রেড ও বিস্কুট ফ্যক্টরীসহ অসংখ্য মিষ্টি তৈরীর কারখানা । প্রাই অনেক প্রতিষ্ঠানেরই নেই কোন ট্রেড লাইসেন্স,নেই কোন বি এস টি আই অনুমোদন। মানবদেহের ক্ষতিকারক রং, সেকারিন,পানি দিয়ে তৈরী করা হয়, ১ টাকা ২ টাকা ৫ টাকা ও ১০ টাকা মূল্যের পাইপ আইসক্রীম। সুনামধন্য প্রান কোম্পানির রোবো পাইপ এর নাম নকল করে হুবহু মোরক ব্যবহার করে নাম দেয়া হয় রোবট। এরপর ছোট ছোট হকারের মাধ্যমে সেগুলো পৌছে যায় মহল্লার ছোট বড় সব ধরনের দোকানে আর তারপর সেগুলো টাকা দিয়ে কিনে খাচ্ছে আমাদের ছোট ছোট শিশুরা। বিষাক্ত এই রং,সেকারিন, মানবদেহে কতোটা অভাবনীয় ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলতে পারে সেটা আমাদের অবশ্যই চিন্তা ও ভাবনার বিষয়। এর পাশাপাশি মিরপুর এলাকায় রয়েছে অগনিত ব্রেড ও বিস্কুট ফ্যক্টরীসহ অসংখ্য মিষ্টি তৈরীর কারখানা। যেখানে অস্বাস্থকর অপরিস্কার ও মানব দেহের মারাত্বক ক্ষতিকারক নানান প্রকার মেডিসিন,রং, ব্যবহার করে অপরিছন্ন পরিবেশে প্রতিদিন তৈরী হচ্ছে হাজার হাজার মন বিস্কুট ও ব্রেডসহ অসংখ্য ভোগ্য পন্য। কোন কেন প্রতিষ্ঠানে ট্রেড লাইসেন্স থাকলেও ,নেই কোন বি এস টি আই অনুমোদন। বি এস টি আই অনুমোদন এর সনদ বা ট্রেড লাইসেন্স এর কাগজ পত্র দেখতে চাইলেই শুরু হয় তালবাহানা ও নানা প্রকার অযুহাত। অনেক প্রতিষ্ঠানেই ব্যবহার করাহয় অবৈধ গ্যাস, সরকারের ট্যাক্স ফাকি দিয়ে বিভিন্ন প্রকার কারখানা মালিকরা হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। আর অবৈধ এই গ্যাস সংযোগ নিয়ে তিতাস গ্যাস কর্মকর্তাদের নেই তেমন কোন মাথাব্যথা। কারন সরকার ট্যাক্স ভ্যাট না পেলেও মাস শেষ হলেই তিতাসের কিছু সংখ্যক অষাদু কর্মকর্তাদের পকেটে যথাসময়েই পৌছে যায় মাষওয়ারা। মাঝে মাঝে দু্ই এক হাজার টাকার অফার সাংবাদিকদের ও করাহয়, টাকা নিয়ে নিউজ না করলেই মিলে বড় ভাই অথবা দুলাভাই ডাকে সম্মাননা। আর এসব বিষয় নিয়ে নিউজ করার কথা বললেই অনেক সময় কিছু সংখ্যক নামধারী সাংবাদিকদের কল চলে আসে মোবাইল ফোনে দেয়াহয় নানা ধরনের রেফারেন্স, যেমন— সে আমার মামাতো,খালাতো,চাচাতো,ফুপাতো,পাড়াতো ইত্যাদি প্রকার ভাই দয়াকরে একটু খেয়াল রাখবেন প্লীজ,আর তার সাথে সাথে বিভিন্ন প্রকার রাজনৈতিক নেতাদের হুমকি তো ফ্রিতেই পাওয়া যায়। আর আমরা যারা এই সকল অনুরোধ রাখতে গিয়ে বা কারো হুমকিতে ভয় পেয়ে অথবা দুই এক হাজার টাকার সুবিধা গ্রহন করে সত্য কথা লিখিনা বা সমাজের সামনে সত্য প্রকাশ করিনা তাদের প্রতি আমার বিষেশ অনুরোধ রইল দয়াকরে একটু ভেবে দেখবেন আমরা সত্য গোপন কেও শুধু নিযেই ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছিনা ক্ষতি করছি নিজেদের, ক্ষতি করছি সমাজের, ক্ষতি করছি পুরো দেশের। এজন গণমাধ্যমকর্মী সমাজের বিবেক জাতির বিবেক আর সেই বিবেককে বিক্রি না করে আসুন নির্ভয়ে সত্য প্রকাশ করি সত্য কথা সমাজের সামনে তুলে ধরে দেশের মানুষের কল্ল্যান সাধনে অগ্রনী ভুমিকা পালন করি।