দূর্বৃত্তদের হাতে নিহত সােনাগাজী উপজেলা ৭নং সদর ইউনিয়নের প্রাক্তন চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নানের পুত্র মােঃ গিয়াস উদ্দিন হত্যা মামলার অভিযােগপত্র গত ২১/০৪/১৯ইং বিজ্ঞ আদালতে দাখিল করা হয়েছে। অভিযােগ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য যে-গত ১০/০৫/১৮ইং তারিখ রাতে ভিকটিম মােঃ গিয়াসউদ্দিন (৩৫)তাহার দুই বন্ধু সালাউদ্দিন (৩৩) ও মারুফ হাসান (৩৪)সাথে। বাজার থেকে বাড়ী ফেরার পথে একদল দূর্বৃত্তরা অন্ধকারে পরিকল্পীত ধারালাে হাতিয়ার দ্বারা নির্মম আক্রমন ও কুপিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় পালিয়ে যায়। ভিকটিমের ২জন সঙ্গি যদিও অস্ত্রের আঘাতে আহত হয় কিন্তু গিয়াস উদ্দিন সােচনীয় আহত হওয়াতে দ্রুত নিকটবর্তী স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করলে তাহার আরাে অবনতি ঘটে এবং তাৎক্ষনিক চট্টগ্রাম মেডিক্যালে নেওয়ার পথে রাস্তায় মৃত্যু বরন করে। এই হত্যাকে কেন্দ্র করে পরদিন ভিকটিমের পিতা সােনাগাজী থানায় ভিকটিমের ২জন সঙ্গি স্বাক্ষ্যর উপর ভিত্তি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন যাহার সূত্র নং-২৬(৫)১৮,তাং-১১/০৫/১৮ইং।
উল্লেখ্য-এই হত্যাকান্ডে সন্দেহ ভাজন এলাকার সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারের ৩জন সদস্য ১। পলাশ চন্দ্র দাস, ২। ছােট ভাই রুপম চন্দ্র দাস ও ৩। তাহাদের পিতা-কুমােদ চন্দ্রদাসকে অপরাধী চিহ্নিত করা হলে বিষয়টি এলাকবাসির মধ্যে চরম চাঞ্চল্য সন্দেহর সৃষ্টি হয় এবং পুলিশ ২ জনকে গ্রেফতার করে জেলে বন্দি করেন। এই হত্যাকান্ড মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস.আই.সাজ্জাদ আমিনের সাথে যােগাযােগে জানা যায় যে, সম্পত্তি সংক্রান্ত ক্রন্দল/শত্রুতাকে কেন্দ্র করে এলাকায় প্রভাবশালী রাজনৈতীক মহলের মদত পুষ্ঠ হয়ে প্রতিপক্ষ পলাতক ও হাজতী ৩জন আসামীরা। সুপরিকল্পীত এই হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। অপরদিকে এলাকাবাসির ভাষ্য ও মতামতে জানা যায় যে- আসামীরা অত্যন্ত নিরিহ প্রকৃতির এবং এই রুপ গুরুতর অপরাধ তাহাদের দ্বারা কখােনই সম্ভব নয়। আরাে জানা যায়। যে-মৃত গিয়াসউদ্দিন ও পিতা আব্দুল মিমন্নাসহ সঙ্গি সাথীরা এলাকায় ভুমি দস্যু নামে পরিচিত এবং পিতাপূত্র রাজনৈতীক প্রভাবে সকল গুরুতর অপরাধে জড়িত।
বিধায় গিয়াসউদ্দিনের হত্যা কান্ডটিকে অনেকে সন্তুসভাব প্রকাশ করেন। আসামী পক্ষে আইন জীবির মাধ্যমে জানাযায় যে-আই/ওর তদন্ত প্রতিবেদনে অপরাধের বাস্তবতার বিষয় তেমন কোন সুস্পষ্ট অভিযােগ আসামীদের বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষদর্শী বা এলাকাবাসিকে জিজ্ঞাসাবাদে বয়ান/স্বাক্ষ প্রমানে সুস্পষ্ঠতা প্রতিয়মান হয় নাই। উপরন্ত বাদীর অভিযােগের ভাষ্য মােতাবেক গতানুগতিক একতরফা উক্ত ৩জন সংখ্যালঘুসহ অজ্ঞাত পলাতক ৩/৪জনকে সন্দেহাতীত অভিযুক্ত আসামী করে আদালতে অভিযােগপত্র দাখিল করাহয়েছে যাহা সম্পূর্ন মণগড়া প্রতিয়মান হইয়াছে। অভিযুক্ত পরিবার ও প্রতিবেশীদের জিজ্ঞাসাবাদে জানাযায় যে-হাজত বাসী আসামীরা অত্যন্ত নিরিহ ও বাদী তাহাদের সম্পত্তি জোরদখলের লক্ষে সম্পূন ষড়যন্ত্র মুলক এই মামলা দায়ের করেছে এবং ২জন নিরিহ আসামী এখনাে হাজতে বন্দি আছে। উপরন্ত প্রতিনিয়ত বাদীর সন্ত্রাসীরা ও পুলিশ ফোর্স পলাতক আসামী পলাশ চন্দ্রকে গ্রেফতার করতে হামলা নির্যাতনে আসামী পরিবার ভীগ্রস্থ হয়ে বিভিন্ন স্থানে আত্নগােপনে থাকতে বাধ্য হচ্ছে।