ঢাকা, সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

শার্শার মটর মেকানিক মিজানের কর্মকান্ডে সাংবাদিকের মান সম্মান ও জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডি

ads
যশোরের শার্শার মটর মেকানিক মিজানুর রহমান মিজান (উদ্ভোধক মিজান) কর্মকান্ডে মোহনা টেলিভিশনে বেনাপোল প্রতিনিধি সনাতন ধর্মালম্বী সাংবাদিক শিশির কুমার সরকারকে হুমুক ধামকি দেওয়ায় সাংবাদিকের মান সম্মান ও জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে  তিনি থানায় সাধারণ ডায়রী করেছের।

সাধারণ ডায়রীতে সনাতন ধর্মালম্বী সাংবাদিক শিশির কুমার সরকার উল্লেখ করেছেন, দীর্ঘদিন যাবত তিনি মোহনা টেলিভিশনে বেনাপোল প্রতিনিধি হিসাবে সুনামের সহিত কাজ করে আসছে। ২০০৪ সালের আগষ্ট মাসে ২০/২২ তারিখে  নিজামপুর মাঠে বেনাপোলের প্রিন্স নামের এক মটরসাইকেল চালককে হত্যা করা হয়। এ হত্যাকান্ডে বক্তিয়ার রহমান বাদি হয়ে একটি হত্যা মামলা করেন। যার প্রাথমিক আসামী ১। মিজানুর রহমান, ২। ইকবাল হোসেন, ৩। আকরাম হোসেন, ৪। সেকেন্দার আলী। যাহা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। সে তার সংবাদের তথ্য উপাত্ত সংগ্রহের জন্য শনিবার (২৭ মার্চ) বিকালে বেনাপোলের পোড়াবাড়ি-নারানপুরে সম্রাট হোসেনের একটি ভিডিও বক্তব্য ধারণ করি। সম্রাট হোসেন নিজামপুর ইউনিয়নের আমতলা গাতিপাড়া (বর্তমান শ্যামলাগাছী) গ্রামের মটর মেকানিক মিজানুর রহমানের ছেলে ও তিনি শার্শা থানা অভ্যন্তরে লেখক হিসাবে কর্মরত। পরে রাত সাড়ে সাতটার দিকে ০১৯৮৪১০৩৫৭৫ নম্বর থেকে মিজান পরিচয়ে ফোন করে চার্জসূচক আমি নারায়নপুর কেন গিয়েছি, বক্তব্য কেন নিয়েছি এবং রাতের মধ্যেই সে দেখা করার প্রতিজ্ঞা করে। মিজানুর রহমান নিজামপুর ইউনিয়নের আমতলা গাতিপাড়া (বর্তমান শ্যামলাগাছী) গ্রামের আক্কাস আলী ও খোদেজা খাতুনের ছেলে। রবিবার সকাল আনুমাণিক পৌনে ৯ টার দিকে নাভারনস্থ সাংবাদিকের ভাড়া বাসায় সম্রাট হোসেন ও মিজানুর রহমান এসে চার্জসূচক জানতে চায়, ঐ হত্যা মামলা নিয়ে আমি কেন রিপোর্ট করবো, কেন বক্তব্য নিব, আমার কোন রাইট আছে কিনা। পরে অকথ্য ভাষা ব্যবহার করে ঐ স্থান ত্যাগ করে। উল্লেখ থাকে যে, মিজানুর রহমান নামের মটর মেকানিক এর আগে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অনেক কুরুচিপূর্ণ স্ট্যাটাস পোষ্ট করে। যাহা তার টাইমলাইনে গেলে পাওয়া যাবে।এমতাবস্থায় সাংবাদিক শিশির কুমার সরকার তার মান সম্মান ও জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শংকিত রয়েছি। শার্শা থানার জিডি নং : ১২১৫।তারিখ : ২৮.০৩.২১।

এই বিষয়ে মিজানুর রহমান মিজান বলেন, আমার সাথে উনার আমার কোন কিছু হয়নি।থানায় জিডির বিষয় জানতে চাইলে এটা আমি জানি না। এটা তিনিই (সাংবাদিক শিশির কুমার সরকার) বলতে পারবে।আজকে আমার উনার সাথে বসাবসি আছে। তার পর উনি বলবে কি জন্য আমার উপর রাগ। ২০০৪ সালের মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে। তিনি বলেন, ওটা আমি বলতে পারবো না। ওটা উনি-ই বলতে পারবে।
ads
ads
ads

Our Facebook Page